ঢাকা,  শনিবার
৭ মার্চ ২০২৬ , ১১:৩১ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* ডিউটি ফাঁকি দিয়ে বেসরকারি চেম্বার করা চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী * শিক্ষকদের যেন দপ্তরে দপ্তরে ঘুরতে না হয়: শিক্ষামন্ত্রী * প্রতিমন্ত্রীর নাম ভাঙিয়ে প্রতারণা, সতর্ক থাকার আহ্বান * আকস্মিক তেলের পাম্প পরিদর্শনে জ্বালানিমন্ত্রী, সাশ্রয়ী ব্যবহারের নির্দেশ * মধ্যপ্রাচ্যগামী আজ ২৫ ফ্লাইট বাতিল * ঢামেকে আকস্মিক পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, বিভিন্ন অসঙ্গতি চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের নির্দেশ * দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আনসার বাহিনীকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর * গণভোটের রায় বাতিলের চেষ্টা চলছে: নাহিদ ইসলামের অভিযোগ * মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা, বাংলাদেশের জন্যও বাড়ছে ঝুঁকি * জামায়াতকে ডেপুটি স্পিকার পদ নেওয়ার প্রস্তাব বিএনপির: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আজহারের মৃত্যুদণ্ডের রিভিউ শুনানি ২৩ জানুয়ারি

reporter

প্রকাশিত: ১২:১১:৫৪অপরাহ্ন , ০৯ জানুয়ারী ২০২৫

আপডেট: ১২:১১:৫৪অপরাহ্ন , ০৯ জানুয়ারী ২০২৫

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: ছবি: সংগৃহীত

একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা এটিএম আজহারুল ইসলামের রায়ের বিরুদ্ধে করা রিভিউ আবেদনের শুনানির জন্য আগামী ২৩ জানুয়ারি দিন নির্ধারণ করেছেন আপিল বিভাগ। বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের আপিল বেঞ্চ এই তারিখ নির্ধারণ করেন।

জামায়াত নেতা আজহারের পক্ষে আদালতে শুনানির আবেদন উপস্থাপন করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক। তার সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির, ব্যারিস্টার এহসান আবদুল্লাহ সিদ্দিকী এবং ব্যারিস্টার নাজিব মোমেন।

২০১৯ সালের ২৩ অক্টোবর জামায়াত নেতা আজহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে দেয়া মৃত্যুদণ্ডের রায় আপিল বিভাগ বহাল রাখেন। এই রায় তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ প্রদান করেন। রায় ঘোষণার পর আজহারুল ইসলাম রিভিউ আবেদন করেন।

এর আগে, ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল জামায়াত নেতা আজহারকে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন।

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে রংপুর অঞ্চলে সংঘটিত গণহত্যা, হত্যাকাণ্ড, অপহরণ, ধর্ষণ, নির্যাতন এবং অগ্নিসংযোগসহ ৯ ধরনের মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয় আজহারের বিরুদ্ধে। এই অভিযোগগুলোর মধ্যে ১ নম্বর অভিযোগ ছাড়া বাকি পাঁচটি অভিযোগে তাকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেন ট্রাইব্যুনাল।

অভিযোগে বলা হয়, ১৯৭১ সালে আজহারুল ইসলাম রংপুরে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সহায়তায় ১,২৫৬ জনকে হত্যা ও গণহত্যা করেন। এছাড়াও, ১৭ জনকে অপহরণ, একজনকে ধর্ষণ, ১৩ জনকে আটক ও নির্যাতন এবং শতাধিক বাড়িতে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের মতো অপরাধে জড়িত ছিলেন তিনি।

এই রায়কে জামায়াতে ইসলাম প্রহসনের রায় বলে আখ্যা দিয়ে আসছে। তবে আপিল বিভাগে রিভিউ শুনানির মাধ্যমে আজহারুল ইসলাম নতুন করে তার রায়ের পুনর্বিবেচনা চান। আগামী ২৩ জানুয়ারির শুনানিতে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে আদালত।

reporter