ঢাকা,  শনিবার
৭ মার্চ ২০২৬ , ১১:৩৪ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ডলারের মার্কিন গুরুত্বপূর্ণ রাডার ধ্বংস করেছে ইরান * ডিউটি ফাঁকি দিয়ে বেসরকারি চেম্বার করা চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী * শিক্ষকদের যেন দপ্তরে দপ্তরে ঘুরতে না হয়: শিক্ষামন্ত্রী * প্রতিমন্ত্রীর নাম ভাঙিয়ে প্রতারণা, সতর্ক থাকার আহ্বান * আকস্মিক তেলের পাম্প পরিদর্শনে জ্বালানিমন্ত্রী, সাশ্রয়ী ব্যবহারের নির্দেশ * মধ্যপ্রাচ্যগামী আজ ২৫ ফ্লাইট বাতিল * ঢামেকে আকস্মিক পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, বিভিন্ন অসঙ্গতি চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের নির্দেশ * দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আনসার বাহিনীকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর * গণভোটের রায় বাতিলের চেষ্টা চলছে: নাহিদ ইসলামের অভিযোগ * মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা, বাংলাদেশের জন্যও বাড়ছে ঝুঁকি

বেতন না পাওয়া ও দুর্ব্যবহারের ক্ষোভে ইরফানের হাতে সাতজন নিহত

reporter

প্রকাশিত: ০১:২৪:৩৫অপরাহ্ন , ২৫ ডিসেম্বর ২০২৪

আপডেট: ০১:২৪:৩৫অপরাহ্ন , ২৫ ডিসেম্বর ২০২৪

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘ ৮ মাস ধরে বেতন না পাওয়া এবং মাস্টারের দুর্ব্যবহারের কারণে নিজের ক্ষোভে জাহাজের মাস্টারসহ সাতজনকে হত্যা করেছেন আকাশ মন্ডল ইরফান। র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইরফান এ হত্যাকাণ্ড ঘটানোর কথা স্বীকার করেছেন। গতকাল তাকে গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এ তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুনীম ফেরদৌস।

র‍্যাবের দেওয়া তথ্য মতে, জাহাজের মাস্টার গোলাম কিবরিয়া ইরফানসহ অন্য কর্মীদের ৮ মাস ধরে কোনো বেতন ভাতা দিচ্ছিলেন না এবং প্রায়ই দুর্ব্যবহার করতেন। মাস্টারের এই দুর্ব্যবহার এবং অর্থ না পাওয়ার ক্ষোভ থেকে ইরফান তার সহকর্মীদের হত্যা করার পরিকল্পনা করেন। ঘটনার দিন ইরফান জাহাজ থেকে বাজার করার জন্য পাবনার একটি বাজারে যান। সেখান থেকে তিনি তিন পাতা ঘুমের ওষুধ সংগ্রহ করেন। এ সময় জাহাজে থাকা চাইনিজ কুড়াল, যা মূলত জাহাজের নিরাপত্তার জন্য রাখা ছিল, সেটিও ব্যবহার করার পরিকল্পনা করেন।

র‍্যাব জানায়, ইরফান প্রথমে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে খাবার তৈরি করেন। সেই খাবার খাওয়ার পর জাহাজের অন্যান্য কর্মীরা অচেতন হয়ে পড়ে। এরপর ইরফান হাতে গ্লাভস পরে চাইনিজ কুড়াল দিয়ে সবাইকে একে একে কুপিয়ে হত্যা করেন। হত্যার পর ইরফান নিশ্চিত হন যে সবাই মারা গেছে। এরপর তিনি নিজেই জাহাজ চালিয়ে হাইমচর এলাকায় চলে যান এবং সেখান থেকে অন্য একটি ট্রলারে করে পালিয়ে যান।

র‍্যাব আরও জানায়, প্রথমে ইরফান শুধু মাস্টার গোলাম কিবরিয়াকে হত্যা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু হত্যাকাণ্ডের সময় অন্য কর্মীরা তা দেখে ফেলায় তাদেরও হত্যা করেন। নিহতদের মধ্যে মাস্টার গোলাম কিবরিয়া ছাড়াও গ্রিজার সজিবুল ইসলাম, লস্কর মাজেদুল ইসলাম, শেখ সবুজ, আমিনুর মুন্সী, ইঞ্জিন চালক সালাউদ্দিন ও বাবুর্চি রানা কাজী রয়েছেন। এছাড়া ঘটনায় আহত হয়েছেন সুকানি জুয়েল।

এই ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের পর ইরফান পালানোর চেষ্টা করলেও র‍্যাবের তৎপরতায় তাকে দ্রুত গ্রেপ্তার করা হয়।

reporter