ঢাকা,  শনিবার
৭ মার্চ ২০২৬ , ১১:০৫ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* আকস্মিক তেলের পাম্প পরিদর্শনে জ্বালানিমন্ত্রী, সাশ্রয়ী ব্যবহারের নির্দেশ * মধ্যপ্রাচ্যগামী আজ ২৫ ফ্লাইট বাতিল * ঢামেকে আকস্মিক পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, বিভিন্ন অসঙ্গতি চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের নির্দেশ * দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আনসার বাহিনীকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর * গণভোটের রায় বাতিলের চেষ্টা চলছে: নাহিদ ইসলামের অভিযোগ * মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা, বাংলাদেশের জন্যও বাড়ছে ঝুঁকি * জামায়াতকে ডেপুটি স্পিকার পদ নেওয়ার প্রস্তাব বিএনপির: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী * চিকিৎসাধীন অর্থমন্ত্রীকে দেখতে হাসপাতালে মির্জা ফখরুল * ইডেনে ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজের বাঁচা-মরার লড়াই * নতুন প্রজন্ম সব দেখছে, ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ব্যানারে নাম ছোট হওয়ায় গাইবান্ধায় বিএনপির দু'পক্ষের সংঘর্ষ

reporter

প্রকাশিত: ১০:৩৬:৫২পূর্বাহ্ন, ০২ জানুয়ারী ২০২৫

আপডেট: ১০:৩৬:৫২পূর্বাহ্ন, ০২ জানুয়ারী ২০২৫

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: ছবি: সংগৃহীত

ব্যানারে নাম ছোট করে লেখাকে কেন্দ্র করে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ ও একাধিকবার ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও লাঠি-সোটা ও ধারালো অস্ত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

বুধবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত গোবিন্দগঞ্জ পৌর শহরের কুঠিবাড়ি সড়ক, থানা মোড় এবং বাজার সড়কে এই সংঘর্ষ হয়। এতে স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি ব্যানারে নাম ছোট অক্ষরে লেখাকে কেন্দ্র করে জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এবং গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক কবির আহমেদ এবং উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফারুক আহম্মেদের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। দুই পক্ষই একে অপরের প্রতি ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে এবং দলীয় কার্যালয়ের আশপাশে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলে।

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফারুক আহম্মেদ জানান, ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠান উপলক্ষে তৈরি করা ব্যানারে তার নাম ছোট অক্ষরে লেখা হয়, যা নিয়ে ফারুক কবির আহমেদের সমর্থকরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। একপর্যায়ে তারা ব্যানারটি খুলে ফেলে দেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয় এবং তাদের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।

ফারুক আহম্মেদ দাবি করেন, দলীয় কার্যালয়ে অবস্থানের সময় ফারুক কবিরের সমর্থকরা তাদের ওপর হামলা চালানোর চেষ্টা করলে তারা পাল্টা ধাওয়া দেন। তবে তার পক্ষ থেকে কোনো অতিরিক্ত ঘটনা ঘটানো হয়নি বলে তিনি জানান।

জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ফারুক কবির আহমেদের মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।

স্থানীয়দের মতে, এই সংঘর্ষের কারণে পুরো এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হলেও দুই পক্ষের উত্তেজনা নিরসনের জন্য আরও উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

reporter