ছবি: ফাইল ছবি
ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে দেশের মহাসড়কগুলোতে ব্যাপক যানজট ও দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। হাইওয়ে পুলিশ জানিয়েছে, সারা দেশে প্রায় ২০৭টি যানজটপ্রবণ স্পট এবং ২৮৫টির বেশি দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা (ব্ল্যাক স্পট) চিহ্নিত করা হয়েছে।
সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা রয়েছে কুমিল্লা অঞ্চলে—মোট ৮৭টি। অন্যদিকে সবচেয়ে কম রয়েছে রংপুর অঞ্চলে—মাত্র ৮টি। এছাড়া গাজীপুর, মাদারীপুর, বগুড়া ও সিলেট অঞ্চলেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক দুর্ঘটনাপ্রবণ স্থান রয়েছে।
যানজটের প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে—
-
অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ
-
অপরিকল্পিত রাস্তা ও সেতু উন্নয়ন কাজ
-
বেপরোয়া গাড়ি চালানো
-
মহাসড়কের পাশে অবৈধ বাজার ও স্থাপনা
-
দূরপাল্লার বাসের যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা
ঈদযাত্রা নিরাপদ করতে পুলিশ বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে। বাংলাদেশ পুলিশ জানিয়েছে, প্রায় ৪ হাজার পুলিশ সদস্য, ৮২০টি টহল দল এবং ৩০০টির বেশি চেকপোস্ট মহাসড়কে দায়িত্ব পালন করবে। পাশাপাশি ড্রোন মনিটরিং ও স্পিড গান ব্যবহার করে যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ করা হবে।
পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন বলেন, ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক করতে পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে।
এদিকে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন-এর নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান বলেন, ঈদের সময় মোটরসাইকেলের বেপরোয়া গতি ও ব্যাটারিচালিত রিকশা মহাসড়কে ওঠা দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ। এছাড়া দেশে মানসম্মত গণপরিবহনের ঘাটতিও বড় সমস্যা।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নির্ধারিত গতিসীমা মেনে চলা, সঠিক লেনে গাড়ি চালানো এবং ট্রাফিক সিগন্যাল মানার মাধ্যমে দুর্ঘটনা অনেকটাই কমানো সম্ভব।
reporter

