ঢাকা,  বৃহস্পতিবার
২৩ এপ্রিল ২০২৬ , ০৫:০৫ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* বিশ্ব বাজারে জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধিতে ঈদ যাত্রায় প্রভাব পড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রী * প্রশ্নফাঁস ও নকল রোধে মাঠ পর্যায়ে কঠোর তদারকি করা হবে : শিক্ষামন্ত্রী * উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হচ্ছে মির্জা আব্বাসকে * সংসদ অধিবেশন শুরু বেলা ১১টায় * ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে জোর দিচ্ছে বিএনপি সরকার * যুক্তরাষ্ট্রকে চমকে দিচ্ছে ইরানের পাল্টা আঘাত, বদলে যাচ্ছে যুদ্ধের হিসাব * মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে দ্বিতীয় অস্ত্রোপচার সম্পন্ন * ইমাম-মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের সম্মানী কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী * পাকিস্তানকে হেসেখেলে হারাল বাংলাদেশ * অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪: ৪০তম ধাপে ইসরায়েলে ইরান-হিজবুল্লাহর যৌথ হামলা

এলপিজি অটোগ্যাসের তীব্র সংকট ও ভোগান্তিতে অচল ফিলিং স্টেশনগুলো

reporter

প্রকাশিত: ০১:২৫:৩২অপরাহ্ন , ১০ জানুয়ারী ২০২৬

আপডেট: ০১:২৫:৩২অপরাহ্ন , ১০ জানুয়ারী ২০২৬

সংগৃহীত ছবি

ছবি: সংগৃহীত ছবি

এলপিজি অটোগ্যাসের সরবরাহে আকস্মিক সংকট সৃষ্টি হওয়ায় সারাদেশের প্রায় সব ফিলিং স্টেশন কার্যত বন্ধ হয়ে পড়েছে, আর সেই সঙ্গে অটোগ্যাসনির্ভর যানবাহন চালকদের নিত্যদিনের যাতায়াত ব্যাহত হওয়ায় তাদের পাশাপাশি এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত উদ্যোক্তাদের ওপর চাপ নামতে শুরু করেছে; সংশ্লিষ্ট সংগঠন ও ব্যবসায়ীদের দাবি, বর্তমান বাজারে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার টন এলপিজির চাহিদার মধ্যে অন্তত ১৫ হাজার টন অটোগ্যাস হিসেবে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু সংকটের কারণে স্টেশনগুলো দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় কর্মচারীদের বেতন, ব্যাংক ঋণের কিস্তি ও অন্যান্য পরিচালন ব্যয় মেটানো কঠিন হয়ে পড়েছে, অনেকেই দেউলিয়া হওয়ার শঙ্কা করছেন; ব্যবসায়ীরা অভিযোগ তুলেছেন যে আমদানি ও মজুদ থাকা সত্ত্বেও বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হয়েছে, ফলে ১২ কেজি সিলিন্ডারের নির্ধারিত মূল্য ১৩০৬ টাকা হলেও কোথাও কোথাও ১৯০০ থেকে ২৫০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে; এ অবস্থায় সরবরাহ শৃঙ্খলা স্বাভাবিক করা, কৃত্রিম সংকটকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং অটোগ্যাস শিল্পকে রক্ষায় জরুরি নীতিগত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি উঠছে; বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অটোগ্যাস পুরো পরিবহন খাতের একটি বিকল্প শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাচ্ছে, তাই এর সংকট কেবল বাণিজ্যিক ক্ষতি নয় বরং পরিবহন-নির্ভর শহুরে জীবনযাত্রা ও অর্থনীতির ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে; সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, ডিসেম্বর মাসে আমদানি আগের চেয়ে বেশি হলেও সরবরাহ কমে যাওয়ার যৌক্তিকতা নেই, প্রশাসন বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নেবে এবং সংকট যেন দীর্ঘস্থায়ী না হয় সেদিকে কড়া নজর রাখা হবে, তবে যতদিন পর্যন্ত সরবরাহ, বাজারশৃঙ্খলা ও মূল্য নিয়ন্ত্রণে স্থায়ী সমাধান প্রতিষ্ঠা না পায় ততদিন এই শিল্প ও ভোক্তাদের অনিশ্চয়তা থেকে যেতে পারে, যা পুরো খাতের ভবিষ্যৎকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

reporter