ছবি: ফেসবুক
আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারে জোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ইতিমধ্যেই ফেসবুকে ভোটযুদ্ধ শুরু হয়েছে, যেখানে জনপ্রিয় ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। নিজের প্রচারণা ছাড়াও প্রতিপক্ষের বিষয়ে অপপ্রচার চালানোর জন্য বিশেষ কৌশল নেওয়া হচ্ছে। তরুণ ও সামাজিক মাধ্যম দক্ষ কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের নিয়ে দলগুলোর টিম তৈরি হচ্ছে, যারা পোস্ট, ব্যানার ও পোস্টার সামাজিক মাধ্যমে ছড়াচ্ছে। মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থীরা সাধারণত দলীয় প্রতীকের সঙ্গে নিজের ছবি যুক্ত করে ফটোকার্ড তৈরি করে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। এছাড়া প্রবাসীরা প্রথমবারের মতো পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে পারছেন, যার জন্য প্রায় ১২ লাখ ভোটার নিবন্ধন করেছেন এবং বিভিন্ন দল তাদের দৃষ্টি আকর্ষণে সামাজিক মাধ্যমে বিশেষ পদক্ষেপ নিচ্ছে। একই সঙ্গে প্রার্থীরা প্রবাসীদের উন্নয়ন প্রতিশ্রুতি এবং সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে প্রচারণা চালাচ্ছেন, কেউ কেউ ফান্ড সংগ্রহও করছেন। তবে নির্বাচন ঘিরে ফেসবুকসহ সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারে অপতৎপরতা হতে পারে বলে সরকার সতর্ক রয়েছে। জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি ইতিমধ্যেই সহিংসতা, অপপ্রচার বা হেট স্পিচ পোস্ট ট্র্যাক করছে এবং জনগণকে এই ধরনের তথ্য সরবরাহ করতে বলছে। জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিল ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নির্বাচনকেন্দ্রিক সাইবার নিরাপত্তা জোরদার করতে নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে গুজব, মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশন রোধ করা যায় এবং সোশ্যাল মিডিয়াকে সহিংসতা বা ভায়োলেন্স তৈরির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার বন্ধ করা হয়।
reporter