ঢাকা,  শনিবার
৭ মার্চ ২০২৬ , ১১:২৮ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* শিক্ষকদের যেন দপ্তরে দপ্তরে ঘুরতে না হয়: শিক্ষামন্ত্রী * প্রতিমন্ত্রীর নাম ভাঙিয়ে প্রতারণা, সতর্ক থাকার আহ্বান * আকস্মিক তেলের পাম্প পরিদর্শনে জ্বালানিমন্ত্রী, সাশ্রয়ী ব্যবহারের নির্দেশ * মধ্যপ্রাচ্যগামী আজ ২৫ ফ্লাইট বাতিল * ঢামেকে আকস্মিক পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, বিভিন্ন অসঙ্গতি চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের নির্দেশ * দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আনসার বাহিনীকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর * গণভোটের রায় বাতিলের চেষ্টা চলছে: নাহিদ ইসলামের অভিযোগ * মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা, বাংলাদেশের জন্যও বাড়ছে ঝুঁকি * জামায়াতকে ডেপুটি স্পিকার পদ নেওয়ার প্রস্তাব বিএনপির: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী * চিকিৎসাধীন অর্থমন্ত্রীকে দেখতে হাসপাতালে মির্জা ফখরুল

হাদি হত্যা মামলায় ফয়সালের ঘনিষ্ঠ সহযোগী রুবেলের আদালতে স্বীকারোক্তি

reporter

প্রকাশিত: ১১:০০:১৫পূর্বাহ্ন, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আপডেট: ১১:০০:১৫পূর্বাহ্ন, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ফাইল ছবি

ছবি: ফাইল ছবি

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলায় আলোচিত প্রধান আসামি শুটার ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী রুবেল আহম্মেদ আদালতে দায় স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছেন, যা মামলার তদন্তে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। দুই দফায় মোট নয় দিনের রিমান্ড শেষে শনিবার পুলিশ রুবেল আহম্মেদকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে, যেখানে তিনি স্বেচ্ছায় ঘটনার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিতে সম্মত হন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইসমাইল তাঁর স্বীকারোক্তি রেকর্ড করেন এবং জবানবন্দি গ্রহণ শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর আগে চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন এবং পরবর্তীতে ২৮ জানুয়ারি দ্বিতীয় দফায় আরও তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়, যার মধ্যে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করে বলে জানা যায়। মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর জুমার নামাজ শেষে ফেরার পথে দুপুর আনুমানিক ২টা ২০ মিনিটে পল্টন থানাধীন বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় দুষ্কৃতকারীরা শহীদ শরিফ ওসমান হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়া হয়, তবে দীর্ঘ চিকিৎসার পর ১৮ ডিসেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেন। এই ঘটনায় ১৪ ডিসেম্বর নিহতের সহকর্মীকে বাদী করে একটি হত্যা ও হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করা হয়, যেখানে একাধিক ধারায় অভিযোগ আনা হয়। পরবর্তীতে নিহতের মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর আদালতের নির্দেশে মামলায় দণ্ডবিধির হত্যা ধারা সংযোজন করা হয়। তদন্তের ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের ৬ জানুয়ারি ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে একটি চার্জশিট দাখিল করা হলেও মামলার বাদী ওই তদন্তে অসন্তোষ প্রকাশ করে নারাজি আবেদন করেন। আদালত সেই আবেদন গ্রহণ করে মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডির কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দেন। বর্তমানে মামলাটির তদন্তভার সিআইডির হাতে রয়েছে এবং তদন্তের অংশ হিসেবে আসামিদের ভূমিকা, পরিকল্পনা ও অর্থের যোগানদাতাদের শনাক্তে কাজ চলছে। চার্জশিটভুক্ত আসামিদের মধ্যে ১১ জন কারাগারে থাকলেও বাকি ছয়জন এখনও পলাতক রয়েছে, যাদের গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। রুবেল আহম্মেদের স্বীকারোক্তিকে মামলার গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা, কারণ এতে হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য পরিকল্পনা, নির্দেশদাতা ও বাস্তবায়নকারীদের সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

reporter