ঢাকা,  শনিবার
৭ মার্চ ২০২৬ , ১১:৩৫ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ডলারের মার্কিন গুরুত্বপূর্ণ রাডার ধ্বংস করেছে ইরান * ডিউটি ফাঁকি দিয়ে বেসরকারি চেম্বার করা চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী * শিক্ষকদের যেন দপ্তরে দপ্তরে ঘুরতে না হয়: শিক্ষামন্ত্রী * প্রতিমন্ত্রীর নাম ভাঙিয়ে প্রতারণা, সতর্ক থাকার আহ্বান * আকস্মিক তেলের পাম্প পরিদর্শনে জ্বালানিমন্ত্রী, সাশ্রয়ী ব্যবহারের নির্দেশ * মধ্যপ্রাচ্যগামী আজ ২৫ ফ্লাইট বাতিল * ঢামেকে আকস্মিক পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, বিভিন্ন অসঙ্গতি চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের নির্দেশ * দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আনসার বাহিনীকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর * গণভোটের রায় বাতিলের চেষ্টা চলছে: নাহিদ ইসলামের অভিযোগ * মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা, বাংলাদেশের জন্যও বাড়ছে ঝুঁকি

হাসপাতালে বাড়ছে ঠান্ডাজনিত রোগীর চাপ

reporter

প্রকাশিত: ১২:৩৭:১৯অপরাহ্ন , ০৫ জানুয়ারী ২০২৬

আপডেট: ১২:৩৭:১৯অপরাহ্ন , ০৫ জানুয়ারী ২০২৬

সংগৃহীত ছবি

ছবি: সংগৃহীত ছবি

দেশজুড়ে টানা কয়েক সপ্তাহ ধরে চলমান তীব্র শৈত্যপ্রবাহ সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে চরমভাবে বিপর্যস্ত করে তুলেছে, বিশেষ করে হাড়কাঁপানো ঠান্ডায় শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে ঠান্ডাজনিত রোগের প্রকোপ আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে সরকারি হাসপাতালগুলোতে, যেখানে প্রতিদিনই শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ, নিউমোনিয়া, ব্রঙ্কিওলাইটিস ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীর ভিড় বাড়ছে, গত দুই মাসে বিপুলসংখ্যক মানুষ এসব রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিতে বাধ্য হয়েছেন এবং উল্লেখযোগ্য সংখ্যক রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে, এই সময়ের মধ্যে ঠান্ডাজনিত জটিলতায় প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে যা পরিস্থিতির ভয়াবহতা স্পষ্ট করে তোলে, বিভাগভিত্তিক চিত্রে দেখা যাচ্ছে রাজধানী ও আশপাশের এলাকায় শ্বাসতন্ত্রের রোগীর সংখ্যা তুলনামূলক বেশি, অন্যদিকে উপকূলীয় ও দক্ষিণাঞ্চলে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীর চাপ বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে, শিশু হাসপাতালগুলোতে শীত মৌসুমে রোগীর সংখ্যা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে যাওয়ায় চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়েছে, বিশেষজ্ঞরা বলছেন শিশুদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা পুরোপুরি বিকশিত না হওয়ায় এবং তীব্র ঠান্ডায় শ্বাসনালির স্বাভাবিক কার্যকারিতা দুর্বল হয়ে পড়ায় এসব রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে, একই চিত্র দেখা যাচ্ছে জেলা পর্যায়ের বড় হাসপাতালগুলোতেও যেখানে শিশু ও বয়স্ক রোগীর সংখ্যা বাড়ছে, চিকিৎসকরা পরামর্শ দিচ্ছেন শিশুদের উষ্ণ রাখা, ঠান্ডা বাতাস এড়িয়ে চলা এবং শ্বাসকষ্ট বা ডায়রিয়ার লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার, স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ আশঙ্কা করছে শীত মৌসুম শেষ না হওয়া পর্যন্ত পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে এবং সে কারণে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোকে বাড়তি প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে, সব মিলিয়ে চলমান শৈত্যপ্রবাহ কেবল আবহাওয়াজনিত একটি সমস্যা নয় বরং এটি জনস্বাস্থ্যের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে সামনে এসেছে, যেখানে সচেতনতা, সময়মতো চিকিৎসা এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থার প্রস্তুতিই পারে পরিস্থিতি সামাল দিতে।

reporter