ঢাকা,  শনিবার
৭ মার্চ ২০২৬ , ১১:২৯ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* শিক্ষকদের যেন দপ্তরে দপ্তরে ঘুরতে না হয়: শিক্ষামন্ত্রী * প্রতিমন্ত্রীর নাম ভাঙিয়ে প্রতারণা, সতর্ক থাকার আহ্বান * আকস্মিক তেলের পাম্প পরিদর্শনে জ্বালানিমন্ত্রী, সাশ্রয়ী ব্যবহারের নির্দেশ * মধ্যপ্রাচ্যগামী আজ ২৫ ফ্লাইট বাতিল * ঢামেকে আকস্মিক পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, বিভিন্ন অসঙ্গতি চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের নির্দেশ * দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আনসার বাহিনীকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর * গণভোটের রায় বাতিলের চেষ্টা চলছে: নাহিদ ইসলামের অভিযোগ * মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা, বাংলাদেশের জন্যও বাড়ছে ঝুঁকি * জামায়াতকে ডেপুটি স্পিকার পদ নেওয়ার প্রস্তাব বিএনপির: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী * চিকিৎসাধীন অর্থমন্ত্রীকে দেখতে হাসপাতালে মির্জা ফখরুল

ইনকিলাব মঞ্চের অবস্থান কর্মসূচি ঘিরে সংঘর্ষ, লাঠিচার্জ ও সাউন্ড গ্রেনেডে অর্ধশতাধিক আহত

reporter

প্রকাশিত: ১১:১০:১৯পূর্বাহ্ন, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আপডেট: ১১:১০:১৯পূর্বাহ্ন, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলার বার্তার নিজস্ব ক্যামেরায় ধারণকৃত

ছবি: বাংলার বার্তার নিজস্ব ক্যামেরায় ধারণকৃত

রাজধানীতে ইনকিলাব মঞ্চের অবস্থান কর্মসূচি ঘিরে পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে, যেখানে লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপের ফলে অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। বিকেল পৌনে চারটার দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে এ ঘটনা ঘটে, যেখানে আগের দিন থেকে জাতিসংঘের অধীনে এক হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে দুই স্থানে ভাগ হয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছিলেন সংগঠনটির নেতা–কর্মীরা। ঘটনাস্থলে পুলিশের ব্যারিকেড দেওয়া ছিল এবং সেখানে কয়েক শ বিক্ষোভকারী অবস্থান নেন। এ সময় অন্য স্থানে অবস্থানরত কয়েকজন নেতাকর্মী সেখানে যেতে চাইলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়, যা নিয়ে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। পরে বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে সামনে এগোতে চাইলে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ প্রথমে জলকামান ব্যবহার করে এবং পরে সাউন্ড গ্রেনেড ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপের পাশাপাশি লাঠিচার্জ করে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ সময় বিক্ষোভকারীদের একটি অংশ পুলিশের দিকে ইটপাটকেল ও বোতল নিক্ষেপ করে বলে জানা যায়। সংঘর্ষে সংগঠনটির শীর্ষ নেতাসহ অনেকেই আহত হন এবং তাঁদের মধ্যে অর্ধশতাধিক ব্যক্তি চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে যান। হাসপাতাল সূত্রে জানানো হয়, আহতদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত রয়েছে, তবে গুলিবিদ্ধ কোনো রোগী পাওয়া যায়নি। আহতদের মধ্যে একজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং অন্যরা চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছেন। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ঘেরাওয়ের চেষ্টা করছিলেন এবং জলকামানের ওপর উঠে সেটি ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্যোগ নেন, ফলে জনস্বার্থে পুলিশ ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয়। সংঘর্ষের পর বিকেলে ঘটনাস্থলে এসে কয়েকজন রাজনৈতিক নেতা বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে প্রতিবাদ মিছিল করেন, যা পরে শহরের আরেক গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। সন্ধ্যা থেকে ওই এলাকায় আবার অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

reporter