ঢাকা,  শনিবার
৭ মার্চ ২০২৬ , ১১:০৩ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* মধ্যপ্রাচ্যগামী আজ ২৫ ফ্লাইট বাতিল * ঢামেকে আকস্মিক পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, বিভিন্ন অসঙ্গতি চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের নির্দেশ * দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আনসার বাহিনীকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর * গণভোটের রায় বাতিলের চেষ্টা চলছে: নাহিদ ইসলামের অভিযোগ * মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা, বাংলাদেশের জন্যও বাড়ছে ঝুঁকি * জামায়াতকে ডেপুটি স্পিকার পদ নেওয়ার প্রস্তাব বিএনপির: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী * চিকিৎসাধীন অর্থমন্ত্রীকে দেখতে হাসপাতালে মির্জা ফখরুল * ইডেনে ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজের বাঁচা-মরার লড়াই * নতুন প্রজন্ম সব দেখছে, ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী * ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি নিহত, ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক

জামালপুরে হাসপাতাল ভাঙচুর ও গুলিবর্ষণ: যুবদল নেতা শুভসহ ৫ জন গ্রেপ্তার

reporter

প্রকাশিত: ০৭:৪৫:৫৮অপরাহ্ন , ২৩ ডিসেম্বর ২০২৪

আপডেট: ০৭:৪৫:৫৮অপরাহ্ন , ২৩ ডিসেম্বর ২০২৪

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: ছবি: সংগৃহীত

জামালপুর শহরে বিএনপির দলীয় অফিসে গুলিবর্ষণ ও একটি বেসরকারি হাসপাতালে হামলা এবং ভাঙচুরের ঘটনায় যুবদল নেতা এম শুভ পাঠানসহ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজে তাদের কাছে দুটি পিস্তল দেখা যাওয়ার পর পুলিশ অস্ত্র উদ্ধারের জন্য আসামিদের রিমান্ড আবেদন করবে বলে জানিয়েছে।

২৩ ডিসেম্বর, সোমবার দুপুরে জামালপুর পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ এই তথ্য জানায়। এর আগে ২২ ডিসেম্বর রাতে রাজধানী ঢাকার একটি হোটেল থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারদের মধ্যে রয়েছেন জেলা যুবদলের সাবেক সহ-সম্পাদক এম শুভ পাঠান, তার অনুসারী রিপন হাসান হৃদয়, মাসুম মিয়া, রাজু ও ঝুটন মিয়া। তারা সবাই জামালপুর শহরের বাসিন্দা।

পুলিশ জানায়, ২৮ নভেম্বর মধ্য রাতে জামালপুর শহরের সরদারপাড়া এলাকায় এমএ রশিদ নামে একটি বেসরকারি হাসপাতালে এম শুভ পাঠানের নেতৃত্বে হৃদয়, রাজু ও মাসুমসহ কয়েকজন আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। এরপর তারা ওই হাসপাতালের পাশের শাহীন নামের এক ব্যক্তির বাড়িতেও ভাঙচুর করে। পরবর্তীতে তারা বিএনপির অফিসে গিয়ে ২-৩ রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে। এই ঘটনার পর শহরে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও শাহীন বাদী হয়ে দুটি আলাদা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং প্রযুক্তির সাহায্যে আসামিদের অবস্থান নিশ্চিত করে। এরপর ঢাকার গুলশান ২ নম্বর রোডের একটি হোটেল থেকে ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে পুলিশ জানিয়েছে, আসামিদের কাছ থেকে অস্ত্র উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

জামালপুরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘‘হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও একজন কর্মচারী পৃথক দুটি মামলা করেন ৩০ নভেম্বর। এর পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং রাজধানী থেকে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছে, সড়ক পারাপার নিয়ে এই ঘটনা ঘটেছে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘এ ঘটনায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি, তবে আসামিদের ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’’

এই ঘটনার পর, জামালপুর শহরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও কড়া করা হয়েছে এবং পুলিশ পুরো এলাকায় নিরাপত্তা বাড়িয়েছে।

reporter