ঢাকা,  শনিবার
৭ মার্চ ২০২৬ , ১১:০৬ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* আকস্মিক তেলের পাম্প পরিদর্শনে জ্বালানিমন্ত্রী, সাশ্রয়ী ব্যবহারের নির্দেশ * মধ্যপ্রাচ্যগামী আজ ২৫ ফ্লাইট বাতিল * ঢামেকে আকস্মিক পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, বিভিন্ন অসঙ্গতি চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের নির্দেশ * দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আনসার বাহিনীকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর * গণভোটের রায় বাতিলের চেষ্টা চলছে: নাহিদ ইসলামের অভিযোগ * মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা, বাংলাদেশের জন্যও বাড়ছে ঝুঁকি * জামায়াতকে ডেপুটি স্পিকার পদ নেওয়ার প্রস্তাব বিএনপির: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী * চিকিৎসাধীন অর্থমন্ত্রীকে দেখতে হাসপাতালে মির্জা ফখরুল * ইডেনে ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজের বাঁচা-মরার লড়াই * নতুন প্রজন্ম সব দেখছে, ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

জাতীয় সরকারের প্রস্তাব: রাষ্ট্রপতি ইউনূস, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

reporter

প্রকাশিত: ০৪:৪৯:০৬অপরাহ্ন , ০৬ মে ২০২৫

আপডেট: ০৪:৪৯:০৬অপরাহ্ন , ০৬ মে ২০২৫

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: ছবি: সংগৃহীত

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে রাষ্ট্রপতি এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী করে জাতীয় সরকার গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে নবগঠিত রাজনৈতিক দল ‘জাতীয় ঐক্য ও সংহতি পরিষদ’।

সোমবার, ৫ মে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে দলটি। আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে ‘জাতীয় সরকারের রূপরেখা’ বিষয়ক এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সেখানে দলটির পক্ষ থেকে একটি ২০ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়, যার আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পান মো. নাজিমুল হক।

সভায় উপস্থিত নেতারা জাতীয় সরকারের একটি প্রস্তাবিত কাঠামো তুলে ধরেন, যেখানে ড. ইউনূসকে রাষ্ট্রপতি, সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারকে উপরাষ্ট্রপতি, তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আমির ডা. শফিকুর রহমানকে উপপ্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিবেচনা করার আহ্বান জানানো হয়।

দলটি একইসঙ্গে একটি প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভা গঠনের আনুপাতিক হারও প্রকাশ করে। তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন মন্ত্রিসভায় বিএনপি থেকে ২৫ শতাংশ, জামায়াতে ইসলামি থেকে ২০ শতাংশ, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (এনসিপি) থেকে ১৫ শতাংশ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে ৫ শতাংশ, বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (VVIP) হিসেবে বিবেচিত ব্যক্তিদের জন্য ১০ শতাংশ এবং অন্যান্য রাজনৈতিক দল থেকে ২৫ শতাংশ সদস্য অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়।

সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান ড. সাবের আহমেদ চৌধুরী, জাতীয় শিক্ষা-সেবা পরিষদের চেয়ারম্যান ড. হাসনান আহমেদ এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এসএম ফরমানুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনায় বক্তারা দেশে একটি অন্তর্বর্তী ও সমন্বিত জাতীয় সরকার গঠনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন এবং বর্তমান সংকট উত্তরণে বিকল্প রাজনৈতিক কাঠামোর প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করেন। তাদের মতে, রাজনৈতিক ঐক্যের মাধ্যমে একটি স্থিতিশীল ও প্রতিনিধিত্বমূলক সরকার গঠন করা সম্ভব যা গণতন্ত্রের ভিত্তিকে মজবুত করবে।

নতুন রাজনৈতিক দলটি আত্মপ্রকাশের মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি বিতর্কিত এবং আলোচিত প্রস্তাব উত্থাপন করেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, এ প্রস্তাব বাস্তবায়নযোগ্য না হলেও এটি বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতার মধ্যে একটি বিকল্প ভাবনার প্রতিফলন।

reporter