ছবি: ফাইল ছবি
দেশে জ্বালানি তেলের ঘাটতি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, তা অযৌক্তিক বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তিনি জানিয়েছেন, দেশে তেলের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে এবং আগামী ৯ মার্চ আরও দুটি জ্বালানি তেলের ভেসেল দেশে পৌঁছাবে।
শনিবার রাজধানীর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়-এর ৪ নম্বর গেটে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি ও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতকে ঘিরে দেশে জ্বালানি তেল সরবরাহ নিয়ে কিছু মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে মন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানান, আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।
তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে তেলের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে এবং নিয়মিতভাবে নতুন চালানও আসছে। আগামী ৯ তারিখ আরও দুটি জ্বালানি তেলের জাহাজ বা ভেসেল দেশে পৌঁছাবে, যা সরবরাহ পরিস্থিতিকে আরও স্বাভাবিক রাখবে।
মন্ত্রী আরও জানান, বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি বা অতিরিক্ত মজুতদারি ঠেকাতে সরকার কঠোর নজরদারি শুরু করছে। এ লক্ষ্যে আগামীকাল থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে। এসব মোবাইল কোর্ট বাজার তদারকি করবে এবং কেউ যদি অবৈধভাবে তেল মজুত বা অতিরিক্ত দামে বিক্রি করার চেষ্টা করে, তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সরকার বিকল্প উৎস থেকেও জ্বালানি তেল সংগ্রহের চেষ্টা করছে বলে জানান মন্ত্রী। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে কোনো ধরনের অনিশ্চয়তা থাকলেও দেশের জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা কমবে।
মন্ত্রী বলেন, কিছু গুজব ও ভুল তথ্যের কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে অযথা আতঙ্ক তৈরি হচ্ছে। তবে বাস্তবে দেশের জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে। তাই তিনি জনগণকে শান্ত থাকার এবং গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানান।
সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং বাজারে কোনো ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি হতে না দেওয়া। এ জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে মন্ত্রী আশ্বস্ত করেন।
reporter

