ঢাকা,  শনিবার
৭ মার্চ ২০২৬ , ১১:০০ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* মধ্যপ্রাচ্যগামী আজ ২৫ ফ্লাইট বাতিল * ঢামেকে আকস্মিক পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, বিভিন্ন অসঙ্গতি চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের নির্দেশ * দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আনসার বাহিনীকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর * গণভোটের রায় বাতিলের চেষ্টা চলছে: নাহিদ ইসলামের অভিযোগ * মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা, বাংলাদেশের জন্যও বাড়ছে ঝুঁকি * জামায়াতকে ডেপুটি স্পিকার পদ নেওয়ার প্রস্তাব বিএনপির: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী * চিকিৎসাধীন অর্থমন্ত্রীকে দেখতে হাসপাতালে মির্জা ফখরুল * ইডেনে ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজের বাঁচা-মরার লড়াই * নতুন প্রজন্ম সব দেখছে, ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী * ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি নিহত, ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক

ঐক্য সরকার নয়, একক জয়ে আত্মবিশ্বাসী বিএনপি: রয়টার্সকে তারেক রহমান

reporter

প্রকাশিত: ১১:০৫:১০পূর্বাহ্ন, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আপডেট: ১১:০৫:১০পূর্বাহ্ন, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সংগৃহীত ছবি

ছবি: সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী তারেক রহমান নির্বাচনের পর তাঁর প্রধান প্রতিপক্ষ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে কোনো ধরনের ঐক্য সরকার গঠনের প্রস্তাব নাকচ করেছেন এবং বলেছেন, তাঁর দল এককভাবেই সরকার গঠনের মতো আসন পাবে বলে আত্মবিশ্বাসী। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সঙ্গে সরকার গঠন করলে কার্যকর বিরোধী দল থাকবে না, যা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য প্রয়োজনীয়। প্রায় দুই দশক লন্ডনে অবস্থানের পর গত ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আসা তারেক রহমান বলেন, দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা ও জনগণের প্রত্যাশা বিবেচনায় তাঁর দল স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে জয়ী হওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ইসলামপন্থী দল জামায়াতে ইসলামীকে দেখা হচ্ছে, যারা একসময় নিষিদ্ধ থাকলেও বর্তমানে নতুন করে রাজনৈতিক ময়দানে সক্রিয় হয়েছে। অতীতে এই দুই দল একসঙ্গে সরকার পরিচালনা করলেও এবার জামায়াতের পক্ষ থেকে ঐক্য সরকারের প্রস্তাব এলেও তা নাকচ করেছে বিএনপি। তারেক রহমান বলেন, বিরোধী দল শক্তিশালী হলে সংসদীয় গণতন্ত্র আরও কার্যকর হয় এবং জনগণের স্বার্থ রক্ষা সহজ হয়। তাঁর সহযোগীরা জানিয়েছেন, ৩০০ সংসদীয় আসনের মধ্যে দুই–তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয় পাওয়ার ব্যাপারে বিএনপি আশাবাদী এবং ২৯২টি আসনে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে দলটি। বাকি আসনগুলোতে জোটসঙ্গীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। যদিও নির্দিষ্ট আসনসংখ্যা নিয়ে মন্তব্য করতে চাননি তারেক রহমান, তবে তিনি বলেছেন, সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক আসন তারা পাবে বলেই তাঁর বিশ্বাস। বিভিন্ন জনমত জরিপেও বিএনপির এগিয়ে থাকার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, যদিও জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতার সম্ভাবনার কথাও উঠে এসেছে। তরুণদের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা নতুন রাজনৈতিক শক্তি জেন–জেড প্রজন্মের দলও সেই জোটে যুক্ত হওয়ায় প্রতিযোগিতা আরও তীব্র হতে পারে। দেশে বর্তমানে একটি অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব পালন করছে, যা ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রীর দেশত্যাগের পর গঠিত হয়। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, কোনো নির্দিষ্ট দেশের দিকে ঝুঁকে নয়, বরং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও সার্বভৌম স্বার্থ নিশ্চিত করতে পারে—এমন যেকোনো দেশের সঙ্গেই সম্পর্ক জোরদার করতে চান তারা। তিনি বলেন, দেশের প্রায় সাড়ে ১৭ কোটি মানুষের জন্য অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা এবং তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে তাঁদের অগ্রাধিকার। এ জন্য বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরির পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, জনগণ যাকে গ্রহণ করবে, তারই রাজনীতিতে অংশ নেওয়ার অধিকার রয়েছে। রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে একটি বড় দল আসন্ন নির্বাচনে অংশ নিতে পারছে না, ফলে নির্বাচনী সমীকরণে বড় পরিবর্তন এসেছে। এসব বাস্তবতার মধ্যেই বিএনপি এককভাবে সরকার গঠনের লক্ষ্য নিয়ে নির্বাচনী লড়াইয়ে নামছে বলে জানান তারেক রহমান।

reporter