ঢাকা,  বৃহস্পতিবার
২৩ এপ্রিল ২০২৬ , ০৫:০৩ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* বিশ্ব বাজারে জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধিতে ঈদ যাত্রায় প্রভাব পড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রী * প্রশ্নফাঁস ও নকল রোধে মাঠ পর্যায়ে কঠোর তদারকি করা হবে : শিক্ষামন্ত্রী * উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হচ্ছে মির্জা আব্বাসকে * সংসদ অধিবেশন শুরু বেলা ১১টায় * ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে জোর দিচ্ছে বিএনপি সরকার * যুক্তরাষ্ট্রকে চমকে দিচ্ছে ইরানের পাল্টা আঘাত, বদলে যাচ্ছে যুদ্ধের হিসাব * মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে দ্বিতীয় অস্ত্রোপচার সম্পন্ন * ইমাম-মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের সম্মানী কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী * পাকিস্তানকে হেসেখেলে হারাল বাংলাদেশ * অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪: ৪০তম ধাপে ইসরায়েলে ইরান-হিজবুল্লাহর যৌথ হামলা

রাজধানীতে থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ

reporter

প্রকাশিত: ১০:২৯:৩৮পূর্বাহ্ন, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আপডেট: ১০:২৯:৩৮পূর্বাহ্ন, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলার বার্তার নিজস্ব ক্যামেরায় ধারণকৃত

ছবি: বাংলার বার্তার নিজস্ব ক্যামেরায় ধারণকৃত

চাঁদাবাজি ও ছিনতাইয়ের প্রতিবাদে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় অবস্থিত আদাবর থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ। শনিবার দিবাগত রাত প্রায় একটার দিকে এ বিক্ষোভ শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সন্ধ্যার পর আদাবর এলাকায় একটি এমব্রয়ডারি কারখানায় সশস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, ১০ থেকে ১২ জনের একটি দল চাপাতি নিয়ে কারখানায় ঢুকে মালিক ও শ্রমিকদের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীদের উদ্দেশ্য ছিল চাঁদা আদায় ও টাকা-পয়সা ও মোবাইল ফোন ছিনতাই করা। এ ঘটনায় কয়েকজন শ্রমিক আহত হন এবং তাদের হাসপাতালে নেওয়া হয়।

ঘটনার প্রতিবাদে এবং চাঁদাবাজি-ছিনতাই বন্ধের দাবিতে রাতেই ক্ষুব্ধ শ্রমিক ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা থানা ঘেরাও করেন। একই সঙ্গে সড়ক অবরোধ করে তারা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। তাদের দাবি, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চললেও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান বিক্ষোভকারীরা।

মোহাম্মদপুর জোনের সহকারী কমিশনার মো. আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, আবির এমব্রয়ডারি ফ্যাক্টরিতে বেতন বিতরণের সময় হামলার ঘটনা ঘটে। খবর ছড়িয়ে পড়লে আশপাশের অন্যান্য কারখানার শ্রমিকরাও ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তারা অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত রাসেল নামের এক ব্যক্তির বাড়ি ঘেরাও করেন। তবে তাকে না পেয়ে তার বাবাকে অবরুদ্ধ করা হয়।

পরে রাসেলের বাবা পুলিশকে খবর দিলে তাকে নিরাপত্তার স্বার্থে থানায় নিয়ে আসা হয়। এ সময় উত্তেজিত জনতা থানার সামনে জড়ো হন এবং বিক্ষোভ অব্যাহত রাখেন। পরিস্থিতি শান্ত করতে পুলিশ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এবং আইনি পদক্ষেপের আশ্বাস দেয়।

পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, এমব্রয়ডারি কারখানার মালিক বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন এবং মামলার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। শ্রমিকদের ওপর হামলার ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে। দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, আদাবর ও আশপাশের এলাকায় সম্প্রতি চাঁদাবাজি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা বেড়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, নিয়মিত চাঁদা না দিলে হামলা ও ভাঙচুরের ভয় দেখানো হয়। ফলে ব্যবসা পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়েছে। তারা স্থায়ী নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং নিয়মিত টহল জোরদারের দাবি জানান।

রাতভর উত্তেজনা থাকলেও পরিস্থিতি পরে নিয়ন্ত্রণে আসে। পুলিশ জানিয়েছে, এলাকায় অতিরিক্ত নজরদারি চালানো হচ্ছে এবং ঘটনায় জড়িতদের ধরতে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

reporter