ঢাকা,  শনিবার
৭ মার্চ ২০২৬ , ১১:৩৬ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ডলারের মার্কিন গুরুত্বপূর্ণ রাডার ধ্বংস করেছে ইরান * ডিউটি ফাঁকি দিয়ে বেসরকারি চেম্বার করা চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী * শিক্ষকদের যেন দপ্তরে দপ্তরে ঘুরতে না হয়: শিক্ষামন্ত্রী * প্রতিমন্ত্রীর নাম ভাঙিয়ে প্রতারণা, সতর্ক থাকার আহ্বান * আকস্মিক তেলের পাম্প পরিদর্শনে জ্বালানিমন্ত্রী, সাশ্রয়ী ব্যবহারের নির্দেশ * মধ্যপ্রাচ্যগামী আজ ২৫ ফ্লাইট বাতিল * ঢামেকে আকস্মিক পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, বিভিন্ন অসঙ্গতি চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের নির্দেশ * দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আনসার বাহিনীকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর * গণভোটের রায় বাতিলের চেষ্টা চলছে: নাহিদ ইসলামের অভিযোগ * মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা, বাংলাদেশের জন্যও বাড়ছে ঝুঁকি

সয়াবিন তেলের বাজার অস্থিরতা রোধে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি

reporter

প্রকাশিত: ১২:৪৭:৪৩পূর্বাহ্ন, ০৫ মার্চ ২০২৫

আপডেট: ১২:৪৭:৪৩পূর্বাহ্ন, ০৫ মার্চ ২০২৫

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামে সয়াবিন তেলের বাজার অস্থিরতা রোধে কঠোর অবস্থানে নেমেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) ও জেলা প্রশাসন। ভোক্তাদের ভোগান্তি কমাতে নির্ধারিত মূল্যে তেল বিক্রি নিশ্চিত করতে সরাসরি বাজার মনিটরিং করছেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন ও জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম। কোনো ব্যবসায়ী নির্ধারিত মূল্য অমান্য করলে জেল-জরিমানার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। তবে এসব সত্ত্বেও ভোক্তাদের ভোগান্তি কাটছে না।

গত দুই মাস ধরে চট্টগ্রামে সয়াবিন তেলের সংকট চলছে। রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখতে জেলা প্রশাসক খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠক করেছেন। তবে রমজানে ছোলা, খেজুর, পেঁয়াজসহ অন্যান্য পণ্যের দাম নাগালের মধ্যে থাকলেও সয়াবিন তেলের বাজার অস্থিতিশীল রয়ে গেছে। জেলা প্রশাসন ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ টিমের অভিযানেও তেমন উন্নতি দেখা যায়নি।

এ অবস্থায় গত মঙ্গলবার জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সার্কিট হাউজে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আমদানিকারক, পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে সয়াবিন তেলের দাম নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। আমদানিকারকরা প্রতি লিটার ১৫৩ টাকায়, পাইকারি বিক্রেতারা ১৫৫ টাকায় এবং খুচরা বিক্রেতারা ১৬০ টাকায় তেল বিক্রির সিদ্ধান্ত নেন। জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম সভায় সতর্ক করে বলেন, কারসাজি করে তেলের সংকট তৈরি করলে ব্যবসায়ীদের গুদামে অভিযান চালানো হবে এবং মজুতদারি করলে সংশ্লিষ্টদের জেল দেওয়া হবে।

গত বুধবার চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন কাজির দেউড়ি বাজার পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি সয়াবিন তেলসহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ ও দাম পরিস্থিতি খোঁজখবর নেন। মেয়র জানান, বাজার স্থিতিশীল রাখতে চসিক ও জেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে প্রতিটি বাজারে মনিটরিং টিম কাজ করছে। তিনি ভোক্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘জনগণ এখন সচেতন। কেউ যদি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দাম চায়, তাহলে প্রতিবাদ করুন এবং ম্যাজিস্ট্রেট টিমকে জানান।’

এদিকে চসিকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চৈতী সর্ববিদ্যার নেতৃত্বে ব্যাটারি গলি বাজারে অভিযান চালানো হয়। এ সময় পণ্যের মূল্য তালিকা না রাখায় ১২টি দোকানকে জরিমানা করা হয়। এ ছাড়া বহদ্দারহাট ও খাতুনগঞ্জে অভিযান চালানো হয়। জেলা প্রশাসনের বাজার মনিটরিং টাস্কফোর্স চকবাজার, বড়পুল বাজার, পাহাড়তলী বাজার এবং পুরাতন পোর্ট বাজারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে।

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘রমজান সংযমের মাস, কিন্তু কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত মুনাফার লোভে মানুষকে কষ্ট দিচ্ছে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন জনগণকে স্বস্তি দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যতদিন বাজার সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে না আসে, ততদিন আমাদের অভিযান চলবে।’

reporter