ঢাকা,  শনিবার
৭ মার্চ ২০২৬ , ১১:০৬ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* আকস্মিক তেলের পাম্প পরিদর্শনে জ্বালানিমন্ত্রী, সাশ্রয়ী ব্যবহারের নির্দেশ * মধ্যপ্রাচ্যগামী আজ ২৫ ফ্লাইট বাতিল * ঢামেকে আকস্মিক পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, বিভিন্ন অসঙ্গতি চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের নির্দেশ * দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আনসার বাহিনীকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর * গণভোটের রায় বাতিলের চেষ্টা চলছে: নাহিদ ইসলামের অভিযোগ * মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা, বাংলাদেশের জন্যও বাড়ছে ঝুঁকি * জামায়াতকে ডেপুটি স্পিকার পদ নেওয়ার প্রস্তাব বিএনপির: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী * চিকিৎসাধীন অর্থমন্ত্রীকে দেখতে হাসপাতালে মির্জা ফখরুল * ইডেনে ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজের বাঁচা-মরার লড়াই * নতুন প্রজন্ম সব দেখছে, ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

টঙ্গীতে মহাসড়ক অবরোধ করে পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ, তিন ঘণ্টা পর যান চলাচল স্বাভাবিক

reporter

প্রকাশিত: ০২:৩৯:৪৩অপরাহ্ন , ১৭ মে ২০২৫

আপডেট: ০২:৩৯:৪৩অপরাহ্ন , ১৭ মে ২০২৫

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: ছবি: সংগৃহীত

গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গীতে বকেয়া বেতনের দাবিতে শনিবার (১৭ মে) সকালে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন পোশাক শ্রমিকরা। প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী চলা এই অবরোধের কারণে মহাসড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায় এবং সাধারণ যাত্রীরা মারাত্মক ভোগান্তির সম্মুখীন হন।

ঘটনাটি ঘটে সকাল ৯টার দিকে টঙ্গীর দত্তপাড়া এলাকায় অবস্থিত বিএইচআইএস অ্যাপারেলস লিমিটেড নামের একটি পোশাক কারখানার সামনে। কারখানার শ্রমিকরা অভিযোগ করেন, এপ্রিল মাসের বেতন এখনও পরিশোধ না করায় তারা ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিবাদে রাস্তায় নামেন।

প্রত্যক্ষদর্শী এবং পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উক্ত কারখানায় দেড় হাজারেরও বেশি শ্রমিক কর্মরত রয়েছেন। প্রতিদিনের মতো ওইদিন সকালেও শ্রমিকরা কারখানায় প্রবেশ করলেও কাজ না করে কিছুক্ষণ পর সবাই বেরিয়ে এসে মহাসড়কের দুই পাশ দখল করে অবস্থান নেন।

এর ফলে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং উভয় দিকেই যানজটে দীর্ঘ লাইন তৈরি হয়। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কর্মজীবী মানুষ এবং রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্সসহ সব ধরনের যানবাহন আটকে পড়ে।

বিষয়টি জানার পর গাজীপুর শিল্প পুলিশ-২-এর টঙ্গী অঞ্চলের পরিদর্শক ইসমাইল হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলেন।

দীর্ঘ আলোচনার পর বেলা ১২টার দিকে শ্রমিকদের সরিয়ে দেওয়া সম্ভব হয় এবং ধীরে ধীরে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করে।

পুলিশ জানায়, শ্রমিকদের দাবিগুলো কর্তৃপক্ষের নজরে আনা হয়েছে এবং বিষয়টি সমাধানের জন্য মালিকপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে। তবে পরিস্থিতি যেন আর উত্তপ্ত না হয়, সেজন্য শ্রমিকদের শান্ত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এদিকে, শ্রমিকরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে বেতন বিলম্বে দেওয়া হচ্ছে, এবং এবারের পরিস্থিতি অসহনীয় হয়ে উঠেছে বলেই তারা সড়কে নামতে বাধ্য হয়েছেন।

ঘটনার পর স্থানীয় প্রশাসন এবং শিল্প পুলিশ কারখানা কর্তৃপক্ষকে দ্রুত সমস্যা সমাধানের নির্দেশ দিয়েছে। তবে শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত বকেয়া বেতন পরিশোধ সংক্রান্ত কোনো নিশ্চিত সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়নি।

অবরোধ আন্দোলনের জেরে দত্তপাড়া এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং দোকানপাট আংশিকভাবে বন্ধ থাকে।

স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রেখেছে এবং ভবিষ্যতে ধরনের ঘটনা এড়াতে কারখানাগুলোকে সময়মতো শ্রমিকদের বেতন পরিশোধ নিশ্চিত করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

reporter